ধর্ম ও জীবন

যে অপরাধে আজাব-গজব নাজিল হয়

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র জীবনাদর্শই বিশ্ব মানবতার মুক্তির একমাত্র পথ। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমেই সে ঘোষণা দিয়েছেন, ‘অবশ্যই আল্লাহর রাসুলের জীবনে রয়েছে তোমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ।’

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনাদর্শ মুসলমানদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারলেই মুক্তির সঠিক পথ পাবে উম্মাহ।

আশ্চর্যের বিষয় হলো

বর্তমান সময়ে কোনো অশ্লীলতার আয়োজন হলেও ঘোষণা করা যে, মহাসমারোহে মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে ইত্যাদি ইত্যাদি অবৈধ অনুষ্ঠান আয়োজন চলছে।

আবার কুরবানির মতো পবিত্র ইবাদত পালনে পশুর হাটের জন্য নির্মিত হয় অডিও ভিডিও মিউজিক, গান-বাদ্য-বাজনা। যার কোনোটিই ইসলাম সমর্থন করে না বরং তা মারাত্মক অপরাধ।

এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা কুরআনে পাকে সতর্কতা ঘোষণা করেন বলেন, ‘কিছু মানুষ আল্লাহ পথ থেকে বিচ্যুত করার উদ্দেশ্যে অজ্ঞতাবশতঃ অবান্তর কথাবার্তা (গান-বাজনা) ক্রয় করে আর আল্লাহর পথকে ঠাট্টা-বিদ্রোপ করে। ওদের জন্যই রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি।’ (সুরা লোকমান : আয়াত ৬)

মুসলিম উম্মাহর জন্য সতর্কতা হচ্ছে যে, তিন ধরনের অপরাধে মানুষ ৩ ধরনের আজাবে পতিত হয়। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। অপরাধ ৩টি হলো-

> গায়ক-গায়িকা বৃদ্ধি হওয়া,
> গান-বাজনার পরিসর বৃদ্ধি হওয়া
> অবাধ মাদকদ্রব্য সেবন বৃদ্ধি হওয়া

আরও পড়ুন > তাওবা-ইসতেগফারে যে ৫টি কাজ আবশ্যক

মনে রাখতে হবে

ঢোল-তবলার রেওয়াজসহ গান-বাজনা যেমন কোনো বিনোদন নয় ঠিক তেমনি ত্বরিকত-মারফতের নামে ঢোল-তবলা নিয়ে উম্মাদনায় মেতে ওঠা ও কিচ্ছা কাহিনীও ইবাদত নয়। শুধু তা-ই নয়, মানুষের পবিত্র বন্ধন বিয়ে-শাদিতেও গান-বাদ্য-বাজনার বিশাল আয়োজন কোনোভাবেই ইসলাম সমর্থন করে না।

গান বাদ্য-বাজনার ফলে আল্লাহ তাআলা মানুষকে দুনিয়াতে ৩ ধরনের মারাত্মক আজাবে পতিত করেন। আর তাহলো-

> ভূমিধ্বস বা ভূমিকম্পের মাধ্যমে ক্ষয়-ক্ষতি
> শিলাবৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলোচ্ছ্বাস
> সৃষ্টির আকৃতির বিকৃতি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ইসলামে নিষিদ্ধ বিষয়ের প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার তাওফিক দান করুন। অবৈধ ও হারাম বিষয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা ও ভালো কিছু আশা করার ইচ্ছা পোষণ করা থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ভি-ডি-ও-দেখুন:

0Shares