লাইফস্টাইল

পেটের মেদ কমাতে সহজ কিছু উপায়

শরীরের যে কোনো অংশেই মেদ জমা বাড়তি একটি ঝামেলা। তবে পেটের মেদ আরো বেশি ঝামেলা। এই মেদ যে শুধু সৌন্দর্য্য নষ্ট করে তা নয় শারিরীক অনেক অসুস্থতারও অন্যতম কারণ এই মেদ। মেদের কারণে হতে পারে নানা কঠিন রোগ। তবে কিছু উপায় মেনে চললে এটিকে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। কারণ পার্শ্বপ্রতক্রিয়াযুক্ত ওষুধ খেয়ে অনেকেই মেদে ঝরানোর চেষ্টা করে থাকেন। এতে মেদ কমার বদলে স্বাস্থহানী ঘটার সম্ভাবনা থাকে। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে স্লিম থাকার জন্য কিছু উপায় মেনে চললে মেদহীন থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। জেনে নিন মেদহীন থাকার সহজ কিছু উপায়।

পেটের মেদ কমাতে শ্বাস-প্রশ্বাস: কোনো পরিশ্রম ছাড়া আমরা যে কাজটি করতে পারি তা হলো সঠিক নিয়মে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া। বেশিরভাগ মানুষই হয় দ্রুত, না হয় অনেকক্ষণ পরপর শ্বাস গ্রহণ করে। যদি এটি একটা ছন্দে করা যায়, অর্থাৎ আস্তে আস্তে শ্বাস গ্রহণ ও নিঃশ্বাস ত্যাগ করা পেটের খুব ভালো একটা ব্যায়াম।

পেটের ব্যায়াম: ওঠা-বসার ব্যায়াম পেটের জন্য নয়। চিৎ হয়ে শুয়ে থেকে, মাটি থেকে পা সোজা করে ১৫ ডিগ্রি ওপরে ১৫ সেকেন্ড তুলে রাখুন। এভাবে দিনে পাঁচবার করুন। অভ্যস্ত হলে ১০ থেকে ১৫ বার করুন।

পেটের মেদ কমাতে আমিষ: প্রচুর আমিষসমৃদ্ধ খাবার যেমন- মাছ, ডাল ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খান। প্রোটিন শরীরের মেটাবলিজম বাড়ায় ও চর্বি পোড়ায়। তবে প্রোটিনের সঙ্গে চর্বি যাতে শরীরে ঢুকে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

ফ্যাট থেকে দূরে থাকুন: চর্বি জাতীয় খাবার থেকে সবসময় দূরে থাকুন। মাছের তেল, সূর্যমুখীর তেল শরীরের জন্য ভালো। মার্জারিন, মেয়োনেজ, কলিজা, মগজে রয়েছে প্রচুর চর্বি। এগুলো থেকে দূরে থাকুন।

পেটের মেদ কমাতে শর্করা জাতীয় খাবার কম খান: তালিকা থেকে যথাসম্ভব চিনি দূরে রাখুন। চিনির বদলে সুক্রোলোজ (যা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সুগার ফ্রি নামে পাওয়া যায়) ব্যবহার করুন। এমনকি মধু হলেও তা পরিমিতভাবে সেবন করুন। ভাত খাবেন মেপে মেপে। যারা ভাত বেশি খান তাদের ট্রাইজ্ঞ্নিসারাইড বেড়ে গিয়ে পেটে তো বটেই, উপরন্ত লিভারে চর্বি হিসেবে জমা হয়।

সালাদ সবজিতে পেট ভরুন: টমেটো, মুলা, বিট, ক্যাপসিকাম, লেটুসসমৃদ্ধ সবজির সালাদ ও শাক সহকারে লাঞ্চ বা ডিনার সেরে ফেলুন।

পানি খাবেন পরিমিত। তবে যারা বাত আর কিডনির রোগী, তাদের সবজি আহরণে সংযত হতে হবে।

পেটের মেদ কমাতে ঘুম: যদি রাত জেগে কাজ করার অভ্যাস থাকে, তাহলে আরেকবার ভাবুন। কারণ অসময়ের ঘুম শরীরের জৈবিক ছন্দ নষ্ট করে দেয়। এর ফলে আপনার শরীরে খাদ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। পেটে চর্বি জমার প্রবণতা প্রায় ৫ গুণ বৃদ্ধি পায়।

ভি-ডি-ও-দেখুন:

0Shares