লাইফস্টাইল

অ্যাজমা থাকলে যে খাবার খাওয়া প্রয়োজন

আমরা অনেকেই জানি যে, স্বাস্থ্যকর ডায়েট (খাদ্য তালিকা) হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের মতো ক্রনিক স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে এড়িয়ে চলতে সাহায্য করতে পারে। নতুন একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যকর ডায়েট হাঁপানি বা অ্যাজমাও হ্রাস করতে পারে।

গ্রীসের লা ট্রোব ইউনিভার্সিটির একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে হালকা অ্যাজমা আছে এমন ৬৪ জন শিশুর ওপর গবেষণা চালানো হয়। অর্ধেক শিশুকে তাদের স্বাভাবিক খাবার দেওয়া হয় এবং বাকি অর্ধেক শিশুকে ছয়মাস পর্যন্ত সপ্তাহে দুইবার করে রান্নাকৃত চর্বিযুক্ত মাছ খেতে দেওয়া হয়। ট্রায়ালের পর গবেষকরা আবিষ্কার করেন, যেসব শিশু অধিক মাছ খেয়েছিল তাদের অ্যাজমার সমস্যা অন্য শিশুদের তুলনায় বেশি হ্রাস পেয়েছিল।

প্রধান গবেষক মারিয়া পাপামাইকেল একটি প্রেস রিলিজে ব্যাখ্যা করেন, চর্বিযুক্ত মাছে উচ্চমাত্রায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যার রয়েছে প্রদাহ-বিরোধী গুণ। গবেষণা বলছে যে, সপ্তাহে মাত্র দুইবার মাছ ভোজন অ্যাজমা আছে এমন শিশুদের ফুসফুসের প্রদাহ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমাতে পারে।

যদি আপনার শিশু মাছ খেতে পছন্দ না করে, তাহলে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অন্যান্য উৎস বিবেচনা করতে পারেন, যেমন- ক্যানোলা অয়েল, শণবীজ ও শণবীজের তেল, উইল্ড রাইস বা কালো ভাত, ডিম, সয়াবিন, আখরোট বাদাম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার।

সহ-গবেষক এবং লা ট্রোব’স স্কুল অব অ্যালায়েড হেলথের প্রধান ক্যাথেরিন ইতসিয়োপাউলস বলেন, শিশুদের অ্যাজমার উপসর্গ কমানোর জন্য একটি সহজ, নিরাপদ ও কার্যকর উপায় হচ্ছে, উচ্চ উদ্ভিজ্জ খাবার ও চর্বিযুক্ত মাছ সমৃদ্ধ মেডিটারেনিয়ান ডায়েট অনুসরণ করা।

ভি-ডি-ও-দেখুন:

0Shares